Sunday, 24 September 2017
ইভেন্ট হেডলাইন
×

Warning

Error loading component: com_languages, Component not found.

দেশ টিভিতে বিজয় দিবসের বিশেষ নাটক “রক্তস্নান”

0
0
0
s2smodern
powered by social2s

বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশটিভিতে ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ শুক্রবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে বিশেষ নাটক “রক্তস্নান”

রচনা : মেজবাহ উদ্দিন সুমন। পরিচালনা: হিমেল আশরাফ। অভিনয়ে: জাহিদ হাসান, সমাপ্তি মাশুক, নুশরাত ইমরোজ তিশা ও আরো অনেকে।

কাহিনি সংক্ষেপ:

গুলিটা অল্পের জন্য লাগেনি ই.পি.আর-এর ল্যান্সনায়েক মুক্তিযোদ্ধা হামিদুর রহমানের গায়ে। অবশ্য সেই সময়ে সে পা হড়কে ব্রিজ থেকে শঙ্খ নদীতে না পড়লে ঠিকই গুলিটা লাগতো। অতর্কিতে আক্রমনে চোখের সামনে তার সামনের দুজন মুক্তিযোদ্ধা ঢলে পড়লো কিছু বুঝে উঠার আগেই। দৌড়ে কাভার নেয়ার আগেই পা হড়কে নীচে পড়ে যায় হামিদুর। আর সাথে সাথে শঙ্খ নদীর খরস্রোত এর টান তাকে টেনে নিয়ে যায় বহুদুর। যখন জ্ঞান ফিরে তখন নিজেকে একটা ঘণ জঙ্গলের পাড়ে আবিস্কার করে। কিন্তু কোথাও কিছু খুজে পায় না। আচমকা মানুষের গোঙ্গানির শব্দ তার কানে আসে। এই ঘণ জঙ্গলে কে কোকাচ্ছে? শেষে শব্দের উৎস খুজে পায় সে, ২৩/২৪ বছরের আহত এক মুক্তিযোদ্ধাকে। যার চলৎশক্তি রহিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার নাম মাসুদ। সে যোদ্ধাদের জন্য খবর নিয়ে ফিরছিলো পথিমধ্যে তাকে তাড়া করে হানাদাররা। সে গুলিবিদ্ধ হয়। কোনোমতে তার রক্তপড়া থামায় হামিদুর।

অনেক কষ্টে তারা প্রায় কাছে চলে এসেছে তখনি তাদের ধাওয়া করে হানাদারের দল। ধরা পড়ে যায় হামিদুর কিন্তু নিজে ধরা পড়ে সে লতাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর মাসুদের তো ধরা না পড়ে উপায় নেই। হঠাৎ করে কেমন জানি ভোজভাজির মতো সব পাল্টে যায়। মাসুদ নিজেকে রাজাকারের কমান্ডার দাবী করে। এবং প্রমাণ স্বরূপ তার কাছে লুকানো সার্টিফিকেট দেখায়। তাকে একটু পর মেরে ফেলা হবে এ নিয়ে তার দুঃখ নেই যতোটা না দুঃখ সে প্রতারনার স্বীকার হয়েছে তার জন্য। যে মাসুদকে নিজের ভাইয়ের স্থানে তিনি বসাতে চেয়েছেন সেই ছেলেই রাজাকার। বধ্যভুমিতে মুখোমুখি হামিদুর আর মাসুদ। হামিদুর মাসুদের মুখে থুথু মারে। আর মাসুদ করে গুলি। মৃত্যূর কোলে ঢলে পড়ে হামিদুর। ঠিক তখনি ওয়ারল্যাসে খবর আসে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পন করেছে। সবাই দিশেহারা হয়ে পড়ে কি করবে? দিশেহারা মাসুদও পাক আর্মির কাছ থেকে সটকে পড়ে। পালানোর সময় হঠাৎ মুক্তিযোদ্ধারা তাকে আটক করে তার পরিচয় জানতে চায়। মাসুদ তার পরিচয় দিয়ে বলে সে মুক্তিযোদ্ধা। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে থাকা লতা বলে মাসুদকে চিনে, সে একজন মুক্তিযোদ্ধা। সবাই লতার কথা মেনে নেয়। হামিদুরের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি আর নেই বলে কেদে বুক ভাসায় মাসুদ। লতারো খুবি খারাপ লাগে। অশ্রুসজল চোখে  লতার হাত ধরে সকলের মাঝে মিশে যায় মাসুদ। যেমন করে, সবার বিশ্বাস নিয়ে জন্ম জন্মান্তরে মিশে আছে বিশ্বাসঘাতকেরা।  আর হামিদুরের মতো লাখো শহীদের রক্তে রাঙানো দেশ আজ স্বাধীন।

কিন্তু পাপ কখনো ছাড়ে না কাউকে, এত বছর পরে সেই যুদ্ধাপরাধী রাজাকার মাসুদের ফাঁসি হয় এই বাংলায়।

ই৭/আরএস