Sunday, 24 September 2017
ইভেন্ট হেডলাইন
×

Warning

Error loading component: com_languages, Component not found.

টিভি  নাটক ‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু’                        

0
0
0
s2smodern
powered by social2s

বিশ্বাস দিন দিন এমন পর্যায়ে পৌঁচেছে যে, মানুষ এখন কোন কিছুতেই বিশ্বাস খুঁজে পাচ্ছে না। তাই সম্মানজনক অনেক পেশা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু প্রকৃত অর্থে পেশার কোন দোষ নেই দোষ হচ্ছে গুটিকয়েক মানুষ নামধারী কিছু অমানুষের। এমন শিক্ষনীয় বিষয় যেন মানুষ হাসির ছলে অনুধাবন করতে পারে সেই লক্ষ্য নিয়েই সম্প্রতি একক নাটক ‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু’র নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

নাটকটি রচনা করেছেন: আকাশ রঞ্জন। পরিচালনায় ছিলেন: শাকিবুর রহমান।  নানা চরিত্রে অভিনয় করছেন:  মীর সাব্বির, অহনা, কাজী উজ্জ্বল, তারিক স্বপন, সেরা জামান, সোহাগ কাজী, রাতুল তালুকদার, সুমি। এটি প্রযোজনা করেছে: রাজ ফিল্ম।

কাহিনী সংক্ষেপ:

হাসান নামের গ্রামের এক টিউশন টিচার। সে বাড়িতে ব্যাচ করে পড়ায়। ছেলে মেয়ে একসাথে পড়ে তার ব্যাচে। কারণ হাসানের স্ত্রী মুক্তার সাফ কথা হাসান কোন মেয়েকে আলাদা পড়াতে পারবে না। এমনকি কোন মেয়েকে তার পাশেও বসাতে পারবে না। হাসানকে নিয়ে মুক্তার এমন সন্দেহের কারণ, হাসান মুক্তার বাড়িতে লজিং মাষ্টার হিসাবে থাকতো সেই সুত্রধরে তাদের মাঝে প্রেম ও বিয়ে হয়।

অপরদিকে, লোকমান গ্রামের শিক্ষিত যুবক সে ভালোবাসে লাইজুকে। লাইজু হাসানের কাছে ব্যাচে পড়ে, এ নিয়ে লোকমানের চিন্তা লাইজু যদি ব্যাচের কোন ছেলের সাথে প্রেম করে ফেলে। তাই লাইজুকে হাসানের কাছ থেকে দূরে সরানোর জন্য লাইজুর বাবাকে বলে ব্যাচে পড়া আর কলেজের ক্লাসে পড়াতো একই কথা ...ভালো রেজাল্ট করতে হলে বাসায় আলাদা টিচার রেখে পড়ালে ভালো হয়। এরপর সে ঢাকা শহরের উদাহরণ দেয়, যে ভালো ভালো ছাত্ররা বাসায় গিয়ে পড়ায় যার কারণে ছাত্র ছাত্রীরা ভালো রেজাল্ট করে। লাইজুর বাবা লোকমানের কথার সারমর্ম বুঝতে পারলেও লোকমানকে দিয়ে সে পড়াবে না, কারণ সে অবিবাহিত। তাই লাইজুর বাবা অনুরোধ করে হাসানকে যাতে সে লাইজুকে বাসায় এসে পড়ায়। হাসান অনুরোধ রক্ষা করতে গিয়ে পড়ে মহাবিপদে। মুক্তার সন্দেহ ঘনীভূত হয়। একপর্যায়ে বিনা কারণে সম্পর্ক ডিভোর্সের দিকে গড়াতে থাকলে লাইজুর বাবার হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়। অবশেষে মুক্তারও ভুল ভাঙ্গে এবং বুঝতে পারে বিশ্বাসই সকল সুখের মূল।

ই৭/আরএস

ইংরেজি নববর্ষে রিলিজ হবে মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বিরহ আমার’

0
0
0
s2smodern
powered by social2s

তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল গীতিকার ও চলমান বিপিএল’র থিমসঙ’র গীতিকার ইশতিয়াক আহমেদ’র ‘বিরহ আমার’ গানটি নিয়ে ম্যাক্স ক্রিয়েশন লি.’র কারিগরি সহযোগীতায় নির্মিত হচ্ছে মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বিরহ আমার’। ‘বিরহ আমার’ গানটির সুর  সংগীত ও শিল্পী আরেক সম্ভাবনাময় তরুণ তাসনুভ।

গানটি অবলম্বনে সৈকত ইসলাম’র গল্প ভাবনায় কাহিনি ও চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন মাহাদী হাসান মেধা, পরিচালনা ও পোস্ট প্রোডাকশনে স্বরূপ চন্দ্র দে, সিনেমাটোগ্রাফিতে স্বরূপ চন্দ্র দে ও মাহাদী হাসান মেধা, সহকারি পরিচালক স্মরণ সাঈদ ও শেখ সাদি, কস্টিউম পরিকল্পনায় হাবিব জাকারিয়া।

মিউজিক্যাল ফিল্মটিতে মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন শাকিব চৌধুরী ও  নিহিকা ইসলাম।

মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বিরহ আমার’র সার্বিক তত্বাবধানে সৈকত ইসলাম। প্রযোজনায় সুহৃদ মডেল ফেয়ার। ব্যানার অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঈগল মিউজিক।

১৭ নভেম্বর এ ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে গানটির চিত্রধারণের কাজ শেষ হয়েছে।

নববর্ষ ২০১৭ উপলক্ষ্যে মিউজিক্যাল ফিল্মটি রিলিজ দেয়া হবে। মিউজিক্যাল ফিল্মটি বেশ কয়েকটি বেসরকারী চ্যানেলে প্রচারের ব্যবস্থা থাকছে।

ই৭/আরএস

দেশ টিভিতে বিজয় দিবসের বিশেষ নাটক “রক্তস্নান”

0
0
0
s2smodern
powered by social2s

বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশটিভিতে ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ শুক্রবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে বিশেষ নাটক “রক্তস্নান”

রচনা : মেজবাহ উদ্দিন সুমন। পরিচালনা: হিমেল আশরাফ। অভিনয়ে: জাহিদ হাসান, সমাপ্তি মাশুক, নুশরাত ইমরোজ তিশা ও আরো অনেকে।

কাহিনি সংক্ষেপ:

গুলিটা অল্পের জন্য লাগেনি ই.পি.আর-এর ল্যান্সনায়েক মুক্তিযোদ্ধা হামিদুর রহমানের গায়ে। অবশ্য সেই সময়ে সে পা হড়কে ব্রিজ থেকে শঙ্খ নদীতে না পড়লে ঠিকই গুলিটা লাগতো। অতর্কিতে আক্রমনে চোখের সামনে তার সামনের দুজন মুক্তিযোদ্ধা ঢলে পড়লো কিছু বুঝে উঠার আগেই। দৌড়ে কাভার নেয়ার আগেই পা হড়কে নীচে পড়ে যায় হামিদুর। আর সাথে সাথে শঙ্খ নদীর খরস্রোত এর টান তাকে টেনে নিয়ে যায় বহুদুর। যখন জ্ঞান ফিরে তখন নিজেকে একটা ঘণ জঙ্গলের পাড়ে আবিস্কার করে। কিন্তু কোথাও কিছু খুজে পায় না। আচমকা মানুষের গোঙ্গানির শব্দ তার কানে আসে। এই ঘণ জঙ্গলে কে কোকাচ্ছে? শেষে শব্দের উৎস খুজে পায় সে, ২৩/২৪ বছরের আহত এক মুক্তিযোদ্ধাকে। যার চলৎশক্তি রহিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার নাম মাসুদ। সে যোদ্ধাদের জন্য খবর নিয়ে ফিরছিলো পথিমধ্যে তাকে তাড়া করে হানাদাররা। সে গুলিবিদ্ধ হয়। কোনোমতে তার রক্তপড়া থামায় হামিদুর।

অনেক কষ্টে তারা প্রায় কাছে চলে এসেছে তখনি তাদের ধাওয়া করে হানাদারের দল। ধরা পড়ে যায় হামিদুর কিন্তু নিজে ধরা পড়ে সে লতাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর মাসুদের তো ধরা না পড়ে উপায় নেই। হঠাৎ করে কেমন জানি ভোজভাজির মতো সব পাল্টে যায়। মাসুদ নিজেকে রাজাকারের কমান্ডার দাবী করে। এবং প্রমাণ স্বরূপ তার কাছে লুকানো সার্টিফিকেট দেখায়। তাকে একটু পর মেরে ফেলা হবে এ নিয়ে তার দুঃখ নেই যতোটা না দুঃখ সে প্রতারনার স্বীকার হয়েছে তার জন্য। যে মাসুদকে নিজের ভাইয়ের স্থানে তিনি বসাতে চেয়েছেন সেই ছেলেই রাজাকার। বধ্যভুমিতে মুখোমুখি হামিদুর আর মাসুদ। হামিদুর মাসুদের মুখে থুথু মারে। আর মাসুদ করে গুলি। মৃত্যূর কোলে ঢলে পড়ে হামিদুর। ঠিক তখনি ওয়ারল্যাসে খবর আসে পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পন করেছে। সবাই দিশেহারা হয়ে পড়ে কি করবে? দিশেহারা মাসুদও পাক আর্মির কাছ থেকে সটকে পড়ে। পালানোর সময় হঠাৎ মুক্তিযোদ্ধারা তাকে আটক করে তার পরিচয় জানতে চায়। মাসুদ তার পরিচয় দিয়ে বলে সে মুক্তিযোদ্ধা। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে থাকা লতা বলে মাসুদকে চিনে, সে একজন মুক্তিযোদ্ধা। সবাই লতার কথা মেনে নেয়। হামিদুরের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি আর নেই বলে কেদে বুক ভাসায় মাসুদ। লতারো খুবি খারাপ লাগে। অশ্রুসজল চোখে  লতার হাত ধরে সকলের মাঝে মিশে যায় মাসুদ। যেমন করে, সবার বিশ্বাস নিয়ে জন্ম জন্মান্তরে মিশে আছে বিশ্বাসঘাতকেরা।  আর হামিদুরের মতো লাখো শহীদের রক্তে রাঙানো দেশ আজ স্বাধীন।

কিন্তু পাপ কখনো ছাড়ে না কাউকে, এত বছর পরে সেই যুদ্ধাপরাধী রাজাকার মাসুদের ফাঁসি হয় এই বাংলায়।

ই৭/আরএস

দীপ্ত টিভিতে টক শো “মহামতি সুলেমান ও ওসমানী সালতানাত”

0
0
0
s2smodern
powered by social2s

ইসলামের স্বর্ণযুগের মহাবীর সুলতান সুলেমান এবং দীর্ঘ ছয় বছর তিন মহাদেশে বিস্তৃত মুসলমান সাম্রাজ্য ওসমানী সালতানাত নিয়ে বিশেষ টক শো “মহামতি সুলেমান ও ওসমানী সালতানাত”। অনুষ্ঠানটি ঈদের দিন থেকে ৩য় দিন পর্যন্ত বিকাল ৪:০০ টায় দেখা যাবে দীপ্ত টিভিতে। অনুষ্ঠানে আলোচক থাকবেন বিশিষ্ট গবেষক ড. আলীমুর রহমান ও সঞ্চালক হিসেবে থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান। বর্তমান তুরস্কের মধ্যযুগের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ওসমানী পরিবারের পথপরিক্রমা, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, সুলতান সুলেমানের শাসন ব্যবস্থা, সমরকৌশল, বাণিজ্য-কূটনীতি, কাব্যচর্চা ইত্যাদি বিষয়গুলো আলোচনায় থাকবে। অনুষ্ঠানটি দীপ্ত টেলিভিশনের  নিজস্ব প্রযোজনা।

(ই৭/আহ)